Voice of SYLHET | logo

১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৫শে মে, ২০২২ ইং

নগরে যাত্রীবেশে ছিনতাই!

প্রকাশিত : September 09, 2019, 15:50

নগরে যাত্রীবেশে ছিনতাই!

নিউজ ডেস্কঃ

ছিনতাই করে পালানোর সময় তিন শীর্ষ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর মেন্দিবাগ পয়েন্ট সংলগ্ন গ্যাস ভবনের সামনে। আটককৃত ছিনতাইকারীরা হলেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জিগলী গ্রামের আব্দুন নূরের ছেলে আক্তার হোসেন (২৫), দক্ষিণ সুরমার খিদিরপুর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. মনসুর আহমদ (২২), দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর গ্রামের মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে সিএনজি অটোরিকশার চালক দুলাল মিয়া (২৩)।

জানা গেছে, রোববার বিকাল সোয়া ৫টায় জকিগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বিনয় ভূষণ দাস দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বর থেকে ভাড়ায় চলিত একটি সিএনজিতে উঠেন। তার সাথে যাত্রীবেশে আরো তিন ছিনতাইকারীও সিএনজি অটোরিকশায় চড়ে বসেন। মেন্দিবাগ গ্যাস ভবনের সামনে এসে গাড়ি থেকে নেমে যান বিনয় ভূষণ দাস। ভাড়া পরিশোধ করে হাটতে থাকা অবস্থায় তিনি বুঝতে পারেন তার ব্যবহৃত হাওয়াই ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোনটি পকেটে নেই। সাথে সাথে তিনি ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার দেন। কিন্তু ততক্ষণে সিএনজি অটোরিকশাটি অনেকদূর চলে গেছে। তার চিৎকার শুনে মেন্দিবাগ পয়েন্টে ডিউটিতে থাকা কোতোয়ালি থানার সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ অনুপ চৌধুরী ও তার সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে সিএনজি অটোরিকশাটিকে আটক করতে সক্ষম হন। এসময় গাড়িতে বসা নগরীর একসময়ের শীর্ষ ছিনতাইকারী মৃত আলীর ছোটভাই সিএনজি ছিনতাইকারী সিন্ডিকেটের মূলহোতা আক্তার হোসেন ও তার দুই সহযোগীকে চোরাই মোবাইল ও নগদ ১১ হাজার ৪‘শ টাকা এবং ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত সিএনজি সহ আটক করা হয়। আটকের পর তারা স্বীকার করেছে বিনয় ভূষণের জিন্স প্যান্টের পকেট থেকে কৌশলে মোবাইলটি চুরি করে। আটককৃত আক্তার গত চার মাস আগে কোতোয়ালী থানায় দায়েরকৃত ছিনতাই মামলায় দ্রত বিচার আইনে জেলে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে সে আবারো ছিনতাই শুরু করে। সে পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে বলে জানা গেছে। আটকের পর ছিনতাইকারীদের কোতোয়ালি থানায় নিয়ে আসেন এসআই অনুপ চৌধুরী। তিনি একাত্তরের কথাকে জানান, হঠাৎ চিৎকার শুনে আমি আমার সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে মেন্দিবাগ পয়েন্টে থেকে ছিনতাইকারীদের সিএনজিসহ আটক করি। সিএনজির চালকও এ ঘটনার সাথে জড়িত। তাদের কাছ থেকে এর আগে আরো এক ব্যক্তির কাছ থেকে ছিনতাই করা ১১ হাজার ৪‘শ টাকা উদ্ধার করেছি।

এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিঞা বলেন, আটককৃত আক্তারের বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আমি নিজে তাকে দুইবার ছিনতাই মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছি। রোববার বিকেলের ঘটনায় জকিগঞ্জের সমাজসেবা অফিসার বাদি হয়ে কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন। সোমবার ছিনতাইকারীদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারে কঠোর অভিযানে নেমেছে পুলিশ। অভিযান চলমান থাকবে।

সূত্রঃ একাত্তরের কথা

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 243 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।