Voice of SYLHET | logo

৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং

প্রকাশিত : August 30, 2019, 00:30

    বঙ্গবন্ধু
মুহাম্মদ লবীব

ছোট্র শিশু মায়ের সাথে খেলতো দিবারাত্রি,
কেমন করে সে যে হলো বাংলার পথযাত্রী?
স্কুলে তে সেই ছেলেটি যেতো প্রতিদিন,
মা-বাবার সোনার ছেলে, সোনার একটা হরিণ।
২০ সালেতে জন্ম তাহার টুঙ্গিপাড়া গ্রাম,
মা-বাবার প্রিয় খোকা মুজিব তাহার নাম।
চরিত্রটা তাহার ভালো, মিস্টি মুখের বুলি,
আটকাতে পারে নি তাঁকে, পাকসেনাদের গুলি।
জেল-জুলুমে কেটেছে যে তাহার অনেক বছর,
তবুও সে জেলে বসে গুনত মুক্তির প্রহর।
৫২তে জীবন বাজি রেখে ধরল অনশন,
দাবী তাহার একটাই রুখতে হবে দুঃশাসন।
২৬শে মার্চ বন্দি হলেন পশ্চিমাদের জেলে,
৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলে।
৮ তারিখে মুক্তি পেলেন বাঙালি জাতির জনক,
১০ তারিখ দেশে ফিরলে বাঙালি পায় নতুন এক চমক।
৭২ এ শাসনভার বাঙালি দিলো তাহার হাতে,
সুখে যেন মানুষগুলো বাংলায় বেঁচে থাকে।
১৫ আগস্ট শহীদ হলেন বাঙালীর প্রিয় নেতা,
যাদের তিনি বাঁচিয়েছিলেন, তারাই হত্যার মূল হোতা।
৭৫ এ ঘাতকেরা বাঁচতে দিলো না তোমায়,
আজো কিন্তু মুজিব তুমি আছো বাংলার প্রতিটি ছায়ায়।
১৫ তারিখ মুজিব মরেনি, মরেছে মানবতা,
মুজিব না থাকলে কি, আজো পেতাম স্বাধীনতা?
খোদা তুমি ভালোবেসে জান্নাত তাঁকে দিও,
কন্যা বাংলার শাসনকর্তা, তাঁকে বলে দিও।
বিশ্ববাসী জানে কিন্তু, মুজিব কেমন নেতা,
যার ভাষণে জেগে উঠত, বাংলার সব জনতা।
মুজিব আছে মোদের, সবার প্রাণে-প্রাণে,
মুজিব মানে স্বাধীনতা বিশ্ববাসী জানে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 167 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।