Voice of SYLHET | logo

৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং

মাদারীপুরের কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে শোকজ

প্রকাশিত : August 30, 2019, 00:12

মাদারীপুরের কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে শোকজ

 

মাদারীপুর
মাদারীপুরের কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে শোকজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান তাদের এ নোটিশ প্রদান করেন। শোকজ হওয়া চারজন শিক্ষক হলেন, গনিত এর সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম, ও মনিরুজ্জামান এবং ইংরেজীর সিনিয়র শিক্ষক এনায়েত হোসেন ও নরোত্তম বৈরাগী। শিক্ষকদের আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে উপযুক্ত প্রমানসহ জবাব দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় ও নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার কালকিনি উপজেলার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র ইংরেজি শিক্ষক নরোত্তমের বিরুদ্ধে শ্রেনি কক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পাঠদান না করে গল্প করেন, নির্বাচনীসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় খাতা মূল্যায়নে নম্বর প্রদানে পক্ষপাতিত্ব করেন, শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট পরেননা বিধায় তাদের সঠিকভাবে নাম্বার দেয়া হয় না। এবং যারা প্রাইভেট পরেন শুধু তাদের ভাল নাম্বার দেয়া হয়, তিনি প্রাইভেট পরান না বলে যানান। কিন্তু ইউএনওর একজন প্রতিনিধি তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে বাসায় প্রাইভেট পরার সত্যাতা পান। গত নির্বাচনী পরীক্ষায় তার কাছে প্রাইভেট পড়া ছাত্রদের খাতায় সংকেত দিতে বলেছেন বেশী নম্বর দিবেন বলে তারও প্রমান পাওয়াগেছে। এবং সে স্কুলে সময়মত উপস্থিত হন না। প্রতিদিনই বিভিন্ন রকম অজুহাত করেন।

সিনিয়র শিক্ষক এনায়েত হোসেনে বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে বুঝিয়ে পরান না। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যঙ্গ উক্তি করেন। গত ২২ আগস্ট বিশেষ ক্লাশের সময় একজন শিক্ষার্থীকে নাস্তা আনতে বললে তা তার মনমত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই শিক্ষার্থীকে অকথ্য ভাষায় মন্দ কথা বলেন। এবং ওই ছাত্রের মুখের উপর নাস্তাসহ প্লেট ছুড়ে মারেন।

সিনিয়র শিক্ষক মনিরুজ্জানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে পাঠদান করাতে পারেন না। ক্লাসে শিক্ষার্থীরা কোন কিছু জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমার বাড়িতে গিয়ে দেখে নেয়া লাগবে। নবম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান পরাতে পারেন নি। তাই একজন শিক্ষার্থীও অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞানে পাস করতে পারেনি। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে বুঝিয়ে পাঠদান করান না। একটি অধ্যায়ের দুই একটি অংক করেই অন্য অধ্যায়ে চলে যান। ক্লাস চলাকালে অন্য শিক্ষকের সাথে সময় কাটান। অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় ৮ম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর খাতায় শুন্য নম্বর দেন। ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করলে তাকে ২৩ নাম্বর দিয়ে দেন। তিনি ফলাফল বহি, লেজার বহি, রসিদ বহি, শ্রেণি শিক্ষক হিসেবে হাজিরা খাতা সঠিকভাবে ব্যাবহার, ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষন না করাসহ তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবুল কালাম, এনায়েত হোসেন ও নরোত্তম বৈরাগী এর কাছে নোটিশ প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা নোটিশ এর ব্যপারে কিছুই জানি না।
তবে অন্য শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, আমাকে একটা চিঠি দিয়েছে এখনো দেখি নাই, দেখলে জানতে পারবো।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, এই স্কুলের চারজন শিক্ষককে স্কুলের বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শোকজ করা হয়। তাদের ৭ কার্য দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তারা সঠিক জবাব না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবর রহমান জানান, আমি এ বিষয় এখনো কিছু জানি না, আর কেউ জানায় নাই।

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, চারজনের বিরুদ্ধে ভিন্ন রকমের অভিযোগ পেয়েছি, এক শিক্ষক ইচ্ছা করে খাতায় নাম্বার কম দেয় ও কোচিং করায়, আর এক শিক্ষক কোচিংসহ ছাত্রের সাথে খারাপ আচারন করে, আর এক শিক্ষক এক ছাত্রের ডাল- ভাজি ( খাবারের ঝোল) ছুড়ে মেরেছে, অন্য এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপরোক্ত অভিযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে তাই তাদের শোকজ করা হয়েছে।

মেহেদী হাসান সোহাগ
মাদারীপুর।
২৯-৮-১৯

মাদারীপুর
মাদারীপুরের কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে শোকজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান তাদের এ নোটিশ প্রদান করেন। শোকজ হওয়া চারজন শিক্ষক হলেন, গনিত এর সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম, ও মনিরুজ্জামান এবং ইংরেজীর সিনিয়র শিক্ষক এনায়েত হোসেন ও নরোত্তম বৈরাগী। শিক্ষকদের আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে উপযুক্ত প্রমানসহ জবাব দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় ও নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার কালকিনি উপজেলার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র ইংরেজি শিক্ষক নরোত্তমের বিরুদ্ধে শ্রেনি কক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পাঠদান না করে গল্প করেন, নির্বাচনীসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় খাতা মূল্যায়নে নম্বর প্রদানে পক্ষপাতিত্ব করেন, শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট পরেননা বিধায় তাদের সঠিকভাবে নাম্বার দেয়া হয় না। এবং যারা প্রাইভেট পরেন শুধু তাদের ভাল নাম্বার দেয়া হয়, তিনি প্রাইভেট পরান না বলে যানান। কিন্তু ইউএনওর একজন প্রতিনিধি তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে বাসায় প্রাইভেট পরার সত্যাতা পান। গত নির্বাচনী পরীক্ষায় তার কাছে প্রাইভেট পড়া ছাত্রদের খাতায় সংকেত দিতে বলেছেন বেশী নম্বর দিবেন বলে তারও প্রমান পাওয়াগেছে। এবং সে স্কুলে সময়মত উপস্থিত হন না। প্রতিদিনই বিভিন্ন রকম অজুহাত করেন।

সিনিয়র শিক্ষক এনায়েত হোসেনে বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে বুঝিয়ে পরান না। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যঙ্গ উক্তি করেন। গত ২২ আগস্ট বিশেষ ক্লাশের সময় একজন শিক্ষার্থীকে নাস্তা আনতে বললে তা তার মনমত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই শিক্ষার্থীকে অকথ্য ভাষায় মন্দ কথা বলেন। এবং ওই ছাত্রের মুখের উপর নাস্তাসহ প্লেট ছুড়ে মারেন।

সিনিয়র শিক্ষক মনিরুজ্জানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে পাঠদান করাতে পারেন না। ক্লাসে শিক্ষার্থীরা কোন কিছু জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমার বাড়িতে গিয়ে দেখে নেয়া লাগবে। নবম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান পরাতে পারেন নি। তাই একজন শিক্ষার্থীও অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞানে পাস করতে পারেনি। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে বুঝিয়ে পাঠদান করান না। একটি অধ্যায়ের দুই একটি অংক করেই অন্য অধ্যায়ে চলে যান। ক্লাস চলাকালে অন্য শিক্ষকের সাথে সময় কাটান। অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় ৮ম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর খাতায় শুন্য নম্বর দেন। ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করলে তাকে ২৩ নাম্বর দিয়ে দেন। তিনি ফলাফল বহি, লেজার বহি, রসিদ বহি, শ্রেণি শিক্ষক হিসেবে হাজিরা খাতা সঠিকভাবে ব্যাবহার, ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষন না করাসহ তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবুল কালাম, এনায়েত হোসেন ও নরোত্তম বৈরাগী এর কাছে নোটিশ প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা নোটিশ এর ব্যপারে কিছুই জানি না।
তবে অন্য শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, আমাকে একটা চিঠি দিয়েছে এখনো দেখি নাই, দেখলে জানতে পারবো।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, এই স্কুলের চারজন শিক্ষককে স্কুলের বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শোকজ করা হয়। তাদের ৭ কার্য দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তারা সঠিক জবাব না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবর রহমান জানান, আমি এ বিষয় এখনো কিছু জানি না, আর কেউ জানায় নাই।

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কালকিনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, চারজনের বিরুদ্ধে ভিন্ন রকমের অভিযোগ পেয়েছি, এক শিক্ষক ইচ্ছা করে খাতায় নাম্বার কম দেয় ও কোচিং করায়, আর এক শিক্ষক কোচিংসহ ছাত্রের সাথে খারাপ আচারন করে, আর এক শিক্ষক এক ছাত্রের ডাল- ভাজি ( খাবারের ঝোল) ছুড়ে মেরেছে, অন্য এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপরোক্ত অভিযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে তাই তাদের শোকজ করা হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 305 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।