Voice of SYLHET | logo

৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান সিকৃবি শিক্ষক সমিতির

প্রকাশিত : August 29, 2019, 21:38

শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান সিকৃবি শিক্ষক সমিতির

সিকৃবি প্রতিনিধি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখান করে সংবাদ সম্মেলন করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৩টায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূর হোসেন মিঞা ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. জীতেন্দ্রনাথ অধিকারী গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তাদের প্রতিবাদ তুলে ধরেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জীতেন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগ ও পদন্নোতি সংক্রান্ত ইউজিসি কর্তৃক প্রস্তাবিত যে অভিন্ন নীতিমালা করা হয়েছে তা একপেশে, বিদ্বেষমূলক, বিভ্রান্তিকর ও অসংগতিপূর্ণ। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনও শিক্ষক প্রতিনিধি না রেখেই এ নীতিমালা করায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এ নীতিমালা প্রত্যাখান করেছে। এ নীতিমালাটি খসড়া থাকা অবস্থায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি কর্তৃক প্রত্যাখান হওয়া সত্ত্বেও কেন গায়ের জোরে চূড়ান্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক সমাজের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মনে করে, এটি উচ্চশিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।’
বক্তারা বলেন, নীতিমালায় বর্ণিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মঘন্টা হিসেব করে মর্যাদা প্রদান একটি চূড়ান্ত অসম্মানজনক বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি না করে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর সমন্বিত জার্নালে প্রকাশনা চাওয়া হাস্যকর ও অযৌক্তিক। অভিন্ন নীতিমালা অবিলম্বে বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ ও সর্বজন গ্রাহ্য শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্য থেকে একটি কমিটির মাধ্যমে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও ত্রুটিহীন নীতিমালা তৈরি পূর্বক বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. নূর হোসেন মিঞা তার বক্তব্যে বলেন, ‘প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন ভিন্ন আইন দ্বারা গঠিত বিধায় অভিন্ন নীতিমালা তখনই করা সম্ভব হবে যখন সকল বিশ্ববিদ্যালয় একই আইনের আওতায় আসবে। যেমন ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ। শিক্ষকসমাজ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেল বহুদিন ধরে দাবী করে আসছে। কিন্তু সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে অভিন্ন নীতিমালার নামে নতুন একটি ষড়যন্ত্র দ্বারা দৃষ্টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে আমরা মনে করি।’
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের বলেন, তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামীতে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আরও কঠোরতম আন্দোলনে যাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 426 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।