Voice of SYLHET | logo

১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জুন, ২০২২ ইং

নগরীর চৌহাট্টায় পুলিশের মোটরসাইকেল থেকে বোমা সদৃশ্য বস্তুুর রহস্য উন্মোচন  

প্রকাশিত : August 22, 2020, 19:27

নগরীর চৌহাট্টায় পুলিশের মোটরসাইকেল থেকে বোমা সদৃশ্য বস্তুুর রহস্য উন্মোচন  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

একটি ভুলে আবারও দেশব্যপী আলোচনায় উঠে এসেছিল সিলেট । সেই সূর্যদীঘল বাড়ি থেকে যে আলোচনার জন্ম হয়েছিল । গত ৫ আগষ্ট নগরীর চৌহাট্টায় ঘটে গেল তুলকালাম কান্ড । আতঙ্ক আর শংকা নিয়ে রাত পার করেন নগরবাসী । মিডিয়াকর্মী থেকে সেনাবাহিনী সবার কেটেছে নির্ঘুম রাত ।
নগরীর নয়া সড়কের মুন্না ওয়ার্কসপের কর্মীদের ভুলে এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটে গেছে সিলেটে ।

সিলেট নগরীর চৌহাট্টায় পুলিশের মোটরসাইকেল থেকে বোমা সদৃশ্য বস্তুু হিসেবে উদ্ধার হওয়া আলোচিত সেই ‘গ্রাইন্ডিং মেশিন’ ওয়ার্কসপের মেকানিকের ভুলে মোটর সাইকেলে রয়েছিল বলে জানিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশ।

দেশব্যাপী আলোচিত সেই ঘটনার প্রায় ১৫ দিন পর এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে বলে জানিয়েছেন এসএমপি কর্তৃপক্ষ ।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জ্যোতির্ময় সরকার  বলেন, ৫ আগস্ট বুধবার পুলিশের ঐ সদস্য বেলা ২ টার দিকে ডিউটিতে যাওয়ার আগে মোটরসাইকেলটি কাজ করার জন্য কুমারপাড়ার কাছাকাছি এলাকার মুন্না ওয়ার্কশপে নিয়ে যান। তখন ওয়ার্কশপের কর্মীরা মোটরসাইকেলের কিছু যন্ত্রাংশ কেনা লাগবে বলে জানায়। এসময় ডিউটির সময় হয়ে গেলে মোটরসাইকেলটি ওয়ার্কশপে রেখে যান।
পরে ওয়ার্কশপের কর্মীরা মোটরসাইকেলটি মেরামত করে ট্রায়াল দেন। এসময় ওয়ার্কশপের এক কর্মী ভুলবশত গ্রাইন্ডিং মেশিনটি মোটরসাইকেলে রেখে দেন। আর গ্রাইন্ডিং মেশিনটি নষ্ট হওয়ায় ওয়ার্কশপের কর্মীরা পরে আর খোঁজ নেননি। হয়তো অসাবধানতাবশত বা পুলিশের গাড়িকে নিজেদের গাড়ি মনে করে তারা ভুলে মেশিনটি রাখে। বাসা বা অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার জন্য। তবে তাদের মধ্যে অন্য কোনো উদ্দেশ্য না থাকায় এ বিষয়ে কোনো মামলা হচ্ছে না বলেও জানান জ্যোতির্ময় সরকার।

তিনি বলেন, মূলত দায়িত্বে অবহেলার জন্য তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি মোটরসাইকেল ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে। সব মিলিয়ে তার ব্যাপারে ডিপার্টমেন্ট সিদ্ধান্ত নিবে।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যার দিকে ট্রাফিক সার্জেন্ট চয়ন নাইডু তার মোটরসাইকেল চৌহাট্টা পয়েন্টে রেখে চা খেতে যান। তবে তিনি ফিরে গিয়ে মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ একটি বস্ত দেখতে পান। বিষয়টি থানায় অবহিত করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এসে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে।
অবশেষে ঢাকা র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট ডাকা হয়। ওইদিন রাত ৯ টার দিকে র‌্যাব-৯ সিলেটের একটি বোমা ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে পুলিশের কর্মকর্তা বিষয়টি ঢাকায় জানান।
তবে পরদিন বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল পৌনে চারটার সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি বোম ডিসপোজাল টিম বোমাসদৃশ্য বস্তুটি মোটরসাইকেল থেকে খুলে ফেলে। এরপর সেনাবাহিনী প্রেস কনফারেন্সে এটিকে একটি গ্রাইন্ডিং মেশিন বলে নিশ্চিত করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 183 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।