Voice of SYLHET | logo

৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৩শে মে, ২০২২ ইং

কমলগঞ্জের চা-বাগানে অবাধে চলছে মদের ব্যবসা

প্রকাশিত : April 20, 2020, 00:34

কমলগঞ্জের চা-বাগানে অবাধে চলছে মদের ব্যবসা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :-

চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় চা-বাগানগুলোতে বৈধ দেশীয় মদের দোকান বন্ধ হওয়ায় জমজমাট হয়ে উঠেছে চোলাই মদ, হাড়িয়া ও গাঁজার ব্যবসা। গত ২৫ মার্চ সরকারি নির্দেশে কমলগঞ্জের সকল চা-বাগানে দেশীয় মদের দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে বাড়তে থাকে চোলাই মদ, হাড়িয়া ও গাঁজা ব্যবসায়ীদের তৎপরতা। পারমিটধারী মাদকসেবী থেকে শুরু করে অন্যান্য সকল মাদকসেবী দেশীয় চোলাই মদ ও হাড়িয়া নির্ভর হওয়ায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখলা, মাধবপুর, শ্রীগোবিন্দপুর, ধলাই, শমশেরনগর, দেওড়াছড়া, কানিহাটিসহ সকল চা-বাগানে সরকারি নির্দেশে দেশীয় মদের দোকান অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বন্ধ হয়নি বাগানে বহিরাগতসহ পারমিটধারী মাদকসেবীদের পদচারণা। বিভিন্ন অজুহাতে তারা চা-বাগানগুলোতে আগের মতোই প্রবেশ করছেন। পারমিটধারী মাদকসেবীরা দেশীয় মদের দোকান বন্ধ পাওয়ায় ঝুঁকছেন হাতে তৈরি চোলাই মদসহ হাড়িয়া এবং গাঁজার প্রতি।
দেশীয় মদের দোকান বন্ধ হওয়ায় চা-বাগানগুলোতে বেড়েছে চোলাই মদের ব্যবহার। বাগানে বসবাসরত সুযোগ সন্ধানীরা নিয়মিত তৈরি করছেন ঝুঁকিপূর্ণ চোলাই মদ ও পঁচা ভাতের হাড়িয়া। নিম্নমানের এসব মাদক সেবন করে পারমিটধারীদের কাউকে কাউকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। যে কারণে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন পারমিটধারী মাদকসেবী থেকে শুরু করে চা-শ্রমিক ও গ্রামের লোকজন। নিম্নমানের চোলাই মদ, হাড়িয়া ও গাঁজা মাদকসেবীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয়।
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশীয় মদের দোকান বন্ধের পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে দেশীয় চোলাই মদ, হাড়িয়া ও গাঁজা তৈরী এবং বিক্রি। এ জন্য প্রশাসনসহ বাগান কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মত স্থানীয়দের

সংবাদটি শেয়ার করুন

সংবাদটি পড়া হয়েছে 208 বার

যোগাযোগ

অফিসঃ-

উদ্যম-৬, লামাবাজার, সিলেট,

ফোনঃ 01727765557

voiceofsylhet19@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ

সম্পাদক মন্ডলি

ভয়েস অফ সিলেট ডটকম কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।